বুধবার , জানুয়ারি ১৯ ২০২২
নীড় পাতা / জনদুর্ভোগ / বাগাতিপাড়ায় ত্রাণের দাবিতে ইউএনও কার্যালয়ের সামনে অর্ধশত মানুষের ভীড়

বাগাতিপাড়ায় ত্রাণের দাবিতে ইউএনও কার্যালয়ের সামনে অর্ধশত মানুষের ভীড়

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগাতিপাড়াঃ

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ত্রাণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ভীড় করেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ত্রাণ বঞ্চিতরা। রোববার সকালে প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ সেখানে ভীড় করে । কিন্তু ত্রাণ না পেয়েই খালি হাতে ফিরে যান এসব ত্রান বঞ্চিত মানুষগুলো।


ত্রাণ নিতে আসা মানুষগুলো নারদবার্তাকে জানান, করোনা সংকটে ঘরে থাকতে গিয়ে তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। কাজ কর্ম না থাকায় চরম দূঃখ দূর্দশার মধ্যে দিন কাটাছে তাদের । কিন্তু দীর্ঘ এক-দেড়মাস অতিবাহিত হলেও তারা কোন ত্রাণ পায়নি। এজন্যে তারা ত্রানের দাবি নিয়ে ইউএনও অফিসে এসেছে।

তারা আরো বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা ইউএনও’র সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেখা হওয়ার পূর্বেই তিনি গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান। এ ঘটনায় তারা হতাশ।

ত্রাণের দাবিতে আসা তমালতলার চক হরিরামপুর গ্রামের সাালেহা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ঘরে ল্যাংড়া হয়ে পড়ে আছে, কোন আয় রোজগারের মানুষ নাই, আমি বয়স্ক মানুষ কাজও করতে পারিনা, তবুও যেটুকু করতাম করোনা আসায় তাও বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাকে কেউ কোন সাহায্য করেনি। আমি বয়স্ক ভাতাও পাইনা। কেউ কোন খোঁজ খবরও না রাখায় এখন মহাবিপদে আছি’।

একই গ্রামের জালাল উদ্দিন, ফাগুয়াড়দিয়াড় এলাকার জলি বেগম, বেগুনিয়ার শাহিদা বেগম, কলাবাড়িয়ার হালিমা বেগমসহ সকলেই একই অভিযোগ করেন এবং তারা বলেন, ত্রানের আরজি নিয়ে ইউএনও’র কাছে এসেছি।

এ বিষয়ে ইউএনও প্রিয়াংকা দেবী পাল মুঠোফোনে বলেন, এসব নারী-পুরুষরা (ইউএনও) সাথে দেখা করতে এসেছেন, তিনি তা জানতেন না। আর বয়স্ক বা বিধবা ভাতার সময় তো এখন নেই। তাছাড়া কে কি পেয়েছেন তাও তিনি জানেন না।

তিনি আরো বলেন, তারা তাদের জাতীয় পরিচয় পত্র ইউএনও অফিসে জমা দিলে তারা কিছু পেয়েছি কিনা যাচাই-বাছাই শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও দেখুন

বগুড়া জেলার শ্রেষ্ঠ স্থান লাভ করলেন নন্দীগ্রাম থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, নন্দীগ্রাম:বগুড়া জেলার শ্রেষ্ঠ স্থান লাভ করেছেন নন্দীগ্রাম থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ। ২০২১ …