বৃহস্পতিবার , জুলাই ২৫ ২০২৪
নীড় পাতা / আইন-আদালত / বাগাতিপাড়ায় জমির মালিককে পেটালো ছাগল মালিকরা !

বাগাতিপাড়ায় জমির মালিককে পেটালো ছাগল মালিকরা !

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগাতিপাড়া
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ছাগল দিয়ে জমির ফসল নষ্ট করার প্রতিবাদ করায় তিন নারীসহ জমির মালিককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বিকালে উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামে এ মারপিটের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, জমির মালিক বৃদ্ধ জাফর প্রামানিক, তাঁর স্ত্রী মুনজুরা বেগম, ছেলের স্ত্রী লিমা বেগম, নাতনি মুন্নি খাতুন।
এদের মধ্যে জমির মালিক ও তাঁর স্ত্রী রোববার পর্যন্ত দুইদিন ধরে বাগাতিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাঁচুড়িয়া মাঠে জাফর প্রাং আখ, মসুর ও সরিষা ফসলের চাষ করে পরিচর্যা করছেন। শনিবার সকালে একই গ্রামের মৃত বেলাল উদ্দিনের ছেলে ছানা উদ্দিন ও শমসের আলীর ছাগল দিয়া ফসলের ক্ষতি করে। বিষয়টির প্রতিবাদ করায় ছাগলের মালিকদের সাথে জমির মালিকের কথা কাটাকাটি হয়। পরে ওই দিন বিকালে জমির মালিকের বাড়িতে গিয়ে ছাগল মালিকরা ও তাদের লোকজন জমির মালিক ও বাড়ির নারীদের পেটায়। এতে জমির মালিক বৃদ্ধ জাফর প্রামানিকসহ একই পরিবারের চার জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় শনিবার রাতে জাফর প্রামানিকের ছেলে মো. রুবেল চার জনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এব্যাপারে অভিযুক্তদের মধ্যে আবুল হোসেন বলেন, সকালে জাফর প্রামানিক তাদের বাড়ির নারীদের গালিগালাজ করেছেন। এনিয়ে বিকালে ছাতিয়ানতলা বাজারে যাওয়ার পথে জাফরের বাড়ির কাছে চাচা ছানা’র সাথে গন্ডোগোল হয়। তবে মারধোর করা হয়নি। বরং উল্টো জাফরের ছেলেরা রাতে বাজারে গিয়ে তাদের পক্ষের শুকুর আলীকে মারপিট করে আহত করায় শুকুর আলীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এব্যাপারে বাগাতিপাড়া মডেল থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, একজন ব্যক্তি ডিউটি অফিসারের কাছে একটি অভিযোগ দিয়ে গেছে, পরে কোন যোগাযোগ করেননি। তবে তিনিই প্রকৃত অভিযোগকারী কিনা জানা যায়নি।

আরও দেখুন

নগরীর পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের জনপ্রতিনিধি ও  আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক মেয়রের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ২৪ জুন ২০২৪ দেশের চলমান উদ্ভুত পরিস্থিতিতে  রাজশাহী মহানগরীর পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *