নীড় পাতা / উত্তরবঙ্গ / গোদাগাড়ীতে এমপি ওমর ফারুক এর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সমাবেশ

গোদাগাড়ীতে এমপি ওমর ফারুক এর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোদাগাড়ী
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনের জের ধরে উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগসহ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বিকেল ৪ টায় শহীদ ফিরোজ চত্বরে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামীলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগ আইন বিষয়ক সম্পাদক এজাজুল হক মানু,কাঁকনহাট পৌর মেয়র আব্দুল মজিদ, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব অয়েজউদ্দীন বিশ্বাস,সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ,ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খাতুন মিলি, সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মী

এছাড়াও গতকাল বাসুদেবপুর ইউনিয়ন, দেওপাড়া ইউনিয়ন,কাঁকনহাট পৌরসভা, গোগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল হয়। 

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন,গোদাগাড়ী তানোরের নন্দিত জননেতা রাজশাহী জেলা আ’লীগ সভাপতি সাবেক সফল শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। এছাড়া জাতীয় চার নেতার মধ্যে অন্যতম এএইচএম কামরুজ্জামান হেনার ভাগ্নে। সে কি করে খুনি হয়। সে দমে যাওয়ার মত লোক না তাকে কুচক্র করে দামিয়ে দেওয়া যাবে না।  ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে স্বপরিবারকে হত্যা করা হয়। তাহলে তিনি কি করে স্বাধীনতার বিপক্ষের ব্যাক্তি হন,এই প্রশ্ন এমপি ফজলে হোসেন বাদশার কাছে। বাদশা দেওয়া বক্তব্যে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা প্রত্যাহার না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া  হবে বলে কঠোর হুশিয়ারী দেন প্রতিবাদ সমাবেশে।

উল্লেখ্য গত ১৯ আগস্ট ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘খুনি ফারুক-রশিদের শিষ্যরা এখন কেউ এমপি, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ মানবাধিকারকর্মী, কেউ অন্য দলের নেতা’। এতে সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশার বক্তব্যে লিখা হয়, ‘তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় ফারুক চৌধুরীও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। ওই সময় ফারুক চৌধুরী প্রথমে ফ্রিডম পার্টি, পরে ছাত্রদল করে রাকসু নির্বাচনে অংশ নেন। ফ্রিডম পার্টির মিছিলে সামনের সারিতে থাকতেন ফারুক চৌধুরী। ওই সময় ফ্রিডম পার্টির মিছিলে কয়েকবার লাঠি নিয়ে ধাওয়া করেছিলেন ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি ফারুক চৌধুরীকেও ধাওয়া করেছেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ওমর ফারুক চৌধুরী উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশাকে।

গত বুধবার ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষে উকিল নোটিশটি পাঠান রাজশাহী জজকোর্টের আইনজীবী এজাজুল হক মানু।

আরও দেখুন

পুঠিয়া-দূর্গাপুরসহ দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এমপি ডাঃ মনসুর

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পুঠিয়া-দূর্গাপুরসহ দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজশাহী- ৫ (পুঠিয়া-দূর্গাপুর) আসনের সংসদ …