বৃহস্পতিবার , আগস্ট ১৮ ২০২২
নীড় পাতা / উত্তরবঙ্গ / গোদাগাড়ীতে মুজিববর্ষ ২০২০ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

গোদাগাড়ীতে মুজিববর্ষ ২০২০ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোদাগাড়ী
গোদাগাড়ী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বুধবার সকালে ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুজিববর্ষ ২০২০: ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে  উপজেলা সেমিনার কক্ষে এ সেমিনার হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিমুল আকতারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১(গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য রাজশাহী জেলা আ’লীগ সভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম,ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খাতুন মিলি,পৌর আ’লীগ সভাপতি আলহাজ্ব অয়েজউদ্দীন বিশ্বাস,উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদসহ সকল দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী, সুধীজন, উদ্যোক্তাগণ।

প্রধান অতিথি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১ তথা মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ, ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। দেশের প্রতিটি মানুষকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করতে পারলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি এবং প্রযুক্তি বিভাগে দক্ষ জনবলের কারণে বিগত দশ বছরে ডিজিটাইজেশনে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদেরও দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে সকল  টেন্ডারবাজী ও সরকারী দপ্তরে ফাইল প্রসেসিং নিয়ে দুর্নীতিযুক্ত কৃত্রিম জটিলতা নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন গত ৭ বছরে অসাধারণ কিছু অর্জন রয়েছে। আরও অনেককিছু অর্জন হবার পথে। আমরা এরইমাঝে সরকারি কাজের জন্য ই-টেন্ডারিং এবং ই- ফাইলিং পদ্ধতির পরিচয় ঘটিয়েছি। ধীরে ধীরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এই পদ্ধতি অবলম্বন করবে। ই-টেন্ডারিং দুর্নীতি রোধ করবে কারণ, টেন্ডার জমা দিতে আর কোনো অফিসে যাবার প্রয়োজন হবে না। টেন্ডারগুলোও ইলেক্ট্রনিক্যালি প্রক্রিয়াজাত হয়েছে তাই এতে কারোর হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকছে না। ই-ফাইলিং সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় ব্যবহার হবে যেনো ফাইল দ্রুত প্রক্রিয়াজাত হয়। সংক্রিয়ভাবে ফাইলগুলো প্রক্রিয়াধীন হবার সময় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। সরকারি কর্মকর্তাদের এই ফাইল প্রক্রিয়াধীন হবার সময় বিবেচনায় পয়েন্ট দেয়া হবে এবং এই পয়েন্টগুলো তাদের অধিবৃত্তি এবং পদোন্নতি পেতে কাজে আসবে। তাই বিলম্ব না করার জন্য এটি তাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

নাগরিকদের বিভিন্ন নিবন্ধন প্রক্রিয়া যেমন জন্ম নিবন্ধন, চালকের লাইসেন্স প্রভৃতি সব সনদ জাতীয় পরিচয়পত্রের সিস্টেমে সংযুক্ত হয়েছে যেনো জালিয়াতি নির্মূল করা যায়। প্রথম থেকে সিস্টেমগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এসবে সেগমেন্টেশনের পাশাপাশি এডভান্স এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। ২০১৮ সালের মাঝে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক ক্যাবেল নিয়ে যাবার একটি প্রকল্প চালু রয়েছে। সেই সময়ের মাঝে লক্ষ্য হচ্ছে ৫ মেগাবিট প্রতি সেকেন্ডের কানেকশন সব জায়গায় সহজলভ্য করা। আপনি যদি এখনও না জেনে থাকেন, আমাদের সরকারের কেন্দ্রীয় ওয়েব পোর্টালে একটি সেকশন ইতিমধ্যে রয়েছে যেখানে সকল সরকারি ফর্ম সহজলভ্য করা হয়েছে, যে কেউ তা ডাউনলোড করতে পারে। এদের মাঝে বেশিরভাগই ফর্মই পূরণ করে আবার অনলাইনেই জমা দেয়া যায়। আপনাকে সরকারি অফিসে আসতেই হবে না যদি না টাকা পরিশোধ বা অন্য নথি জমা করার বিষয় থাকে। এই সবই অর্জন হয়েছে আমাদের আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য। আওয়ামী লীগ ছাড়া, কোনো ডিজিটাল বাংলাদেশ থাকতো না।

আরও দেখুন

ওরা প্রেমতলীর মাদক কারবারি, ভয় দেখায় পুলিশ- প্রশাসনের

নিজস্ব প্রতিবেদক:ওরা মাদক কারবারি। প্রকাশ্যে বিক্রি করে ভারতীয় ফেনসিডিল। মাদক বিক্রি বন্ধের জন্য তাদের বল্লেই …